“যখন থামবে কোলাহল” গানটি গেয়েছেন বাংলাদেশ এর বিখ্যাত গায়ক রুনা লায়লা । রুনা লায়লা একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশী কণ্ঠশিল্পী। তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সংগীতের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশের বাইরে গজল শিল্পী হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে তার সুনাম আছে। এই গানটির গীতিকার জনাব মাসুদ করিম ও স্বর্গীয় সুরকার সুবল দাসের সুর করা।
যখন থামবে কোলাহল [Jokhon thambe kolahol]
যখন থামবে কোলাহল
ঘুমে নিঝুম চারিদিক
আকাশের উজ্জল তারাটা
মিটমিট করে শুধু জ্বলছে
বুঝে নিও তোমাকে আমি ভাবছি
তোমাকে কাছে ডাকছি
ঘুমিয়ে পড়ো না বন্ধু আমার
জেগে থেকো সেই রাতে
যখন ফুলের গন্ধ এসে
আবেশ ছড়াবে মনে
বুঝে নিও আমি
আসছি সঙ্গোপনে
কোকিলের ডাক যদি শোনো
আমি আর দুরে নেই যেনো
একটু পরেই দেখা হবে দুজনাতে
যখন দখিন বাতাস গায়
পরশ বুলাবে এসে
যেনো এসে গেছি
আমি অবশেষে
বাসনার সেই নদীতীরে
চিনে নিও প্রিয় সাথীরে
স্বপ্ন ভেবে কেদোনাকো বেদনাতে । ।
রুনা লায়লাঃ
রুনা লায়লা একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশী কণ্ঠশিল্পী। বাংলাদেশের বাইরে গজল শিল্পী হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে তার সুনাম আছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের গায়িকা হিসাবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতীয় এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের অনেক গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। রুনা লায়লা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সংগীত শিল্পী।
১৯৬৬ সালে লায়লা উর্দু ভাষার হাম দোনো চলচ্চিত্রে “উনকি নাজরোঁ সে মোহাব্বত কা জো পয়গম মিলা” গান দিয়ে সংগীতাঙ্গনে আলোচনায় আসেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশনা করতে থাকেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালে তিনি জিয়া মহিউদ্দিন শো-তে গান পরিবেশন করতেন এবং ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেওয়া শুরু করেন ।
![যখন থামবে কোলাহল [ Jokhon thambe kolahol ] 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 যখন থামবে কোলাহল [ Jokhon thambe kolahol ]](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
দিল্লিতে তার পরিচালক জয়দেবের সাথে পরিচয় হয়, যিনি তাকে বলিউড চলচ্চিত্রে এবং দূরদর্শনের উদ্বোধনী আয়োজনে গান পরিবেশনের সুযোগ করে দেন। এক সে বাড়কার এক চলচ্চিত্রের শীর্ষ গানের মাধ্যমে তিনি সংগীত পরিচালক কল্যাণজি-আনন্দজির সাথে প্রথম কাজ করেন। এই গানের রেকর্ডিংয়ের সময় প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী লতা মুঙ্গেশকর তাকে আশীর্বাদ করেন। তিনি “ও মেরা বাবু চেল চাবিলা” ও “দামা দম মাস্ত কালান্দার” গান দিয়ে ভারত জুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
সব ধরনের প্রচলিত ও অপ্রচলিত বাংলা গানের কথা সংগ্রহ করে সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য প্রকাশে কাজ করছে ‘লিরিক ডেস্ক’। আপনার কাঙ্ক্ষিত গানটি আমাদের ওয়েবসাইটে না পেলে জানান; আমরা তা সংগ্রহ করে দ্রুত আপলোড করে দেব।











