রাগ ইমন । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

উত্তর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং দক্ষিণ ভারতীয় কর্ণাটকী সঙ্গীত—উভয় ধারাতেই ‘রাগ ইমন’ (বা ইয়েমেন/ইয়ামন) সমানভাবে সমাদৃত ও অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি স্থান দখল করে আছে। নন্দনতাত্ত্বিক গভীরতা, সুরের বৈচিত্র্য এবং সহজেই হৃদয় স্পর্শ করার ক্ষমতার কারণে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী থেকে শুরু করে আধুনিক সুরকারদের কাছে এটি অন্যতম প্রিয় এক রাগ। ভারতীয় সংস্কৃতিতে প্রেম এবং ভক্তিবোধকে একই পরম আবেগের দুটি দিক বলে গণ্য করা হয়। এই তত্ত্বের আলোকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পূজা ও প্রেমকে এক সূত্রে গেঁথেছিলেন। রাগ ইমনেও ভক্তি ও প্রেমের এই অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটে; তাই ধ্রুপদ, ধামার, ভজন, উপাসনা ও স্তুতির মতো প্রাচীন ধারা থেকে শুরু করে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আধুনিক চলচ্চিত্রে এই রাগের বহুল ব্যবহার দেখা যায়।

উৎপত্তি ও নামকরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মতবাদ

রাগ ইমনের নাম ও উৎপত্তি নিয়ে সঙ্গীত পণ্ডিতদের মধ্যে বৈচিত্র্যময় মতবাদ প্রচলিত রয়েছে:
  1. আদি দক্ষিণ ভারতীয় মতবাদ: একটি প্রচলিত ধারণানুযায়ী, আদি কাল থেকেই দক্ষিণ ভারতে এই রাগটি ‘রাগ কল্যাণ’ নামে গীত হয়ে আসছে এবং কালক্রমে মূল স্বররূপ পরিবর্তন ছাড়াই এটি টিকে রয়েছে।
  2. মধ্য প্রাচ্য ও আমীর খসরুর মতবাদ: অন্য এক মতে, মুসলিম শাসনামলে মধ্যপ্রাচ্য বা পারস্যের (বিশেষ করে আরবের ইয়েমেন প্রদেশ) জনপ্রিয় সুরতরঙ্গ ভারতে প্রবেশ করে। প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ আমীর খসরু সেই সুরের সাথে ভারতীয় সঙ্গীতধারার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে রাগ ইমনের শাস্ত্রীয় রূপ প্রদান করেন। আবার অনেকের মতে, ভারতে মুসলিমদের আগমনের পরই রাগটির প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ ঘটে।
  3. দক্ষিণাত্যের পণ্ডিতদের মতবাদ: কর্ণাটকী সঙ্গীতপদ্ধতির পণ্ডিতদের মতে, ‘ইমন কল্যাণ’ রাগেরই একটি বিশেষ শাখা বা রূপভেদ হলো রাগ ইমন।
  4. ‘ইহমন’ সম্পর্কিত ভক্তিগাথা: প্রাচীন একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, সাধক হরিদাস গোস্বামী এক সন্ধ্যায় মন্দিরে ইষ্টদেবের ধ্যানে মগ্ন হয়ে একটি ভজন গাইতে থাকেন, যার বাণী ছিল—“ইহমন অরপণ কর তুমহারি”। তাঁর শিষ্যরা সেই সুধাসময় সুরে মুগ্ধ হন। পরদিন শিষ্যরা গুরুদেবকে অনুরোধ জানান, “বাবা, গতকালের গেয়ে শোনানো ‘ইমন’ (ইহমন) গানটি আজ আবার শেখান।” এই ঘটনা থেকেই ‘ইহমন’ শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে ‘ইমন’ নামের প্রচলন ঘটে।

ইমনের ভাবসংবেদন ও নন্দনতত্ত্ব

রাগ ইমনের পরিবেশ কেবল সুরের কারুকাজ নয়, তা এক শিশিরভেজা নরম ও আর্দ্র সন্ধ্যার রূপক ফুটিয়ে তোলে। ইমনের আবহ জোনার্কির আলোয় রাঙানো বিষণ্ণ ও মায়াময় এক গোধূলি-সন্ধ্যাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

এটি মূলত ভক্তিরসে সিক্ত প্রেমের রাগ। প্রেমের ব্যাকুল উত্থান কিংবা বিচ্ছেদের গভীর বিষাদ—দুই আবহেই ইমন সমান সাবলীল। ভক্তিরসের মূল সুরের পাশাপাশি এতে করুণ ও বীর রসের অনবদ্য আবির্ভাব ঘটে, যা সুরকে আরও বেশি হৃদয়স্পর্শী করে তোলে। বিশেষ করে কোমল হৃদয়ের শ্রোতাদের কাছে এর রূপাতুর আবেদন চিরন্তন। প্রেমের গভীর অনুভূতির নিখুঁত প্রকাশ ঘটাতে পারার কারণেই হিন্দি ও বাংলা ছায়াছবির রোমান্টিক সংগীতে ইমনের এত বিস্তার।

শাস্ত্রীয় পরিচয় ও স্বর-কাঠামো

রাগ ইমন কল্যাণ ঠাটের অন্তর্ভুক্ত একটি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ (সপ্তস্বরী) ও পূর্বাঙ্গ প্রধান রাগ।
বৈশিষ্ট্যবিবরণ
ঠাটের নামকল্যাণ
জাতিসম্পূর্ণ (আরোহণ ও অবরোহণ উভয়তেই সাতটি স্বর ব্যবহৃত হয়)
বাদী স্বরশুদ্ধ গান্ধার (গ)
সংবাদী স্বরশুদ্ধ নিষাদ (ন)
ব্যবহৃত স্বরতীব্র মধ্যম (হ্ম)। বাকি সকল স্বর শুদ্ধ (ঋ, গ, প, ধ, ন)।
শ্রেণীশালগ
গায়ন সময়রাত্রির প্রথম প্রহর (সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত)
প্রকৃতিশান্ত ও গম্ভীর
ন্যাস স্বরষড়জ (স), শুদ্ধ গান্ধার (গ), পঞ্চম (প) ও শুদ্ধ নিষাদ (ন)

আরোহণ, অবরোহণ ও পকড়

  • আরোহণ: ণ্ ঋ গ, হ্ম ধ ন, র্স
  • অবরোহণ: র্স ন, ধ প হ্ম গ, ঋ স
  • পকড় (স্বরূপ): স, ণ্ ঋ ঋ গ, ঋ গ ঋ হ্ম গ, গ হ্ম প, প হ্ম ধ প হ্ম প, হ্ম গ হ্ম ধ ন ন র্স, র্স ন ন ধ প, প হ্ম ধ প হ্ম গ, ঋ গ হ্ম প ঋ গ, ঋ গ ঋ ণ্ ঋ স

রূপান্তর: ইমন কল্যাণ ও মেরু বেহাগের সাথে সাদৃশ্য

  • ইমন কল্যাণ (ইমন থেকে রূপান্তর): রাগ ইমনের প্রধান প্রাণশক্তি হলো তীব্র মধ্যম (কড়ি মা – হ্ম)। এই তীব্র মধ্যমের পাশে যদি কৌশলে শুদ্ধ মধ্যম (ম)-এর সূক্ষ্ম প্রয়োগ ঘটানো হয়, তবেই জন্ম নেয় আরও কোমল এক রাগ—’ইমন কল্যাণ’। স্বরের এই সামান্য পরিবর্তনে সঙ্গীতের মেজাজে বিশাল রূপান্তর ঘটে, যদিও উভয় রাগের আরোহ-অবরোহ ও সুরের গতি প্রায় একই থাকে।
  • মেরু বেহাগ: ইমন রাগের সাথে ‘রাগ মেরু বেহাগ’-এর বৈয়াকরণিক ও সুরগত বেশ কিছু বৈচিত্র্যময় সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়, যা ইমনের বহুমুখী বহুরূপী সৌন্দর্যকেই প্রমাণ করে।

রাগ ইমনের স্বর বিস্তার

ণ্ ঋ ণ্ ধ্ হ্ম্ ধ্ ণ্ ঋ স, ধ্ ণ্ ঋ গ গ ঋ হ্ম গ হ্ম প প হ্ম গ ঋ স, ণ্ স ণ্ ঋ গ গ হ্ম গ প গ প ঋ গ হ্ম প, হ্ম গ হ্ম ধ ন ন ধ ন ন র্স…
(অন্তরা)… ন র্স র্ন ধ ন হ্ম ধ ন হ্ম ধ ন ন র্স, ন র্স র্ন ধ ন র্স র্স ন ধ ন র্স র্ র র্স, ন র্স র্ র র্ গ র্ গ র্ র র্ হ্ম র্ গ র্ হ্ম র্ গ র্ গ র্ র র্স

রাগ ইমনের নির্বাচিত ১৫টি প্রামাণ্য তান

১. ণ্ ঋ গ ঋ গ হ্ম গ হ্ম / গ প হ্ম প গ হ্ম গ ঋ / সা
২. ঋ গ ঋ সাঃ গঃ ঋ সা / ণ্ ঋ হ্ম গ ঋ সা ণ্ ঋ / সা
৩. গ ঋ গ হ্ম ধ না ধ হ্ম / ধ না র্স না ধ প হ্ম গ / ঋ সা
৪. হ্ম ধা ন ধা হ্ম ধা হ্ম গ / গ হ্ম গ ঋঃ গঃ ঋ সা /
৫. স ণ্ ধ্ ণ্ ঋ গ ॥ স ণ্ ধ্ ণ্ ঋ গ স ণ্ / ধ্ ণ্ ঋ গ গ ঋ স ণ্ / সা
৬. প হ্ম প ধা হ্ম ধা প হ্ম / ন র্সা ধ না র্স না র্র র্সা /
৭. গ গ ঋ গ হ্ম হ্ম গ হ্ম / ধ ধা হ্ম ধা ন না ধ না / র্স না র্স ধা ন র্সা ন ধা / ন ধা ন হ্ম ধ না ধ হ্ম ॥ গ হ্ম ধ না ধ হ্ম গ হ্ম / ধ না র্সা গ হ্ম ধ না / ধ হ্ম গ হ্ম ধ না র্সা / গ হ্ম ধ না ধ হ্ম গ হ্ম ॥ ধ না র্সা ন র্রা র্স না / ধ হ্ম গ হ্ম ধ না র্স না / র্সা
৮. ণ্ ঋ গ হ্ম প হ্ম গ ঋ / ঋ গ হ্ম ধা ন ধা হ্ম গ / গ হ্ম ধ না র্স না ধ হ্ম / র্স না ধ হ্ম গ হ্ম ধ না ॥ র্স না ন না ধ না ধ হ্ম / ন ধা ধ ধা হ্ম ধা হ্ম গ / ধ হ্ম হ্ম হ্ম গ হ্ম গ ঋ / গ হ্ম প হ্ম গ হ্ম গ প ॥ হ্ম প গ হ্ম গ প হ্ম গ / হ্ম গ ঋ হ্ম গ ঋ হ্ম গ / ঋ সা
৯. ণ্ ঋ গ হ্ম প হ্ম গ হ্ম / গ ঋ ঋ গ হ্ম ধা ন ধা / হ্ম ধা হ্ম গ গ হ্ম ধ না / র্স না ধ না ধ হ্ম হ্ম ধা ॥ ন র্রা র্গ র্রা ন র্রা র্স না / ধ না র্স ধা ন র্সা ন ধা / হ্ম ধা ন হ্ম ধ না ধ হ্ম / গ হ্ম প গ হ্ম প হ্ম গ ॥ ঋ গ হ্ম ঋ গ হ্ম গ ঋ / ণ্ ধ্ ণ্ ঋ গ হ্ম প ধা / প হ্ম গ ঋ সা প হ্ম / গ ঋ সা প হ্ম গ ঋ ॥ সা ণ্ ঋ গ হ্ম প ধা / প হ্ম গ ঋ সা প হ্ম / গ ঋ সা প হ্ম গ ঋ / সা ণ্ ঋ গ হ্ম প ধা ॥ প হ্ম গ ঋ সা প হ্ম / গ ঋ সা প হ্ম গ ঋ / সা
১০. ণ্ ঋ ণ্ ঋ গ ঋ গ ঋ / ঋ গ ঋ গ হ্ম গ হ্ম গ / গ হ্ম গ হ্ম ধ হ্ম ধ হ্ম / হ্ম ধ হ্ম ধ ন ধ ন ধ ॥ ন র্রা র্র র্রা ন র্রা র্র র্রা / র্গ র্রা ধ না ন না ধ না / ন না র্স না হ্ম ধা ধ ধা / হ্ম ধা ধ ধা ন ধা গ হ্ম ॥ হ্ম হ্ম গ হ্ম হ্ম হ্ম ধ হ্ম / গ ঋ স ণ্ ঋ সা গ ঋ / সা
১১. গ হ্ম ধ না র্র র্গা ॥ র্র র্সা ন র্রা র্স না ধ হ্ম / গ ঋ স র্গা র্র র্সা ন র্রা / র্সা
১২. হ্ম ধা ন ধা হ্ম ধা ধ হ্ম / ন না ধ না ধ হ্ম গ হ্ম / ধ হ্ম গ হ্ম হ্ম গ ধ ধা / হ্ম ধা হ্ম গ ন র্রা র্গ র্রা ॥ ন র্রা র্র র্গা র্র র্রা র্র র্গা / র্র র্সা ধ না র্স না ধ না / ন র্সা ন না ন র্স ন ধা / ধ না র্স না ধ হ্ম গ হ্ম ॥ ধ গ হ্ম ন গ হ্ম র্সা / গ হ্ম ধ গ হ্ম ন গ হ্ম / র্সা
১৩. গ হ্ম ধ না র্স না / ধ না ধ র্সা ন র্সা ধ না ॥ ধ র্সা ন র্সা ধ না ন না / ধ র্সা র্স র্সা ন র্স র্স র্সা / ধ না ধ র্সা ন র্সা ধ না / ধ র্সা ন র্স র্স না ধ না ॥ ধ হ্ম ধ হ্ম গ ঋ গ হ্ম / র্সা র্সা র্সা র্স না / ধ না ধ হ্ম ধ হ্ম গ ঋ / গ হ্ম র্সা র্সা র্সা ॥ র্স না ধ না ধ হ্ম ধ হ্ম / গ ঋ গ হ্ম র্সা র্সা / র্সা
১৪. র্স না ধ না র্স না / ধ না ধ না ধ র্সা ন র্সা / ধ না র্সা ধ না ধ র্সা ॥ ন র্স ধ না র্রা ধ না / ধ র্সা ন র্সা ধ না র্গা / ধ না ধ র্সা ন র্সা ধ না / র্হ্ম র্গ র্রা র্স র্গা র্র র্সা ॥ ন র্রা র্স না ধ হ্ম গ ঋ / স র্গা র্র র্সা ন র্রা র্স র্গা / র্র র্সা
১৫. হ্ম ধা ন ধা ॥ ন র্সা ধ না র্স না ধ হ্ম / গ হ্ম ধ না র্সা হ্ম ধা / ন ধা ন র্সা ধ না র্স না / ধ হ্ম গ হ্ম ধ না র্সা ॥ হ্ম ধা ন ধা ন র্সা ধ না / র্স না ধ হ্ম গ হ্ম ধ না / র্সা

বিভিন্ন সংগীতাঙ্গে ইমনের কালজয়ী গানসমূহ

১. রবীন্দ্রসংগীত

  • এ মোহ আবরণ
  • এ মণিহার আমায়
  • এই উদাসী হাওয়ার পথে পথে
  • দাঁড়িয়ে আছো তুমি

২. নজরুল গীতি

কাজী নজরুল ইসলাম রাগ ইমনের সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ রূপের চেয়ে অন্যান্য রাগের সাথে এর মিশ্র রূপ ব্যবহারে বেশি পছন্দ করতেন:
  • ছন্দের বন্যা হরিণী অরণ্যা (মিশ্র ইমন, তাল: কাহারবা)
  • স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে রয়েছ (রাগ: শ্যামকল্যাণ / ইমন কল্যাণ, তাল: একতাল)
  • আমি দ্বার খুলে আর রাখব না (রাগ: ইমন, তাল: দাদরা)
  • এসো বঁধূ ফিরে এসো (রাগ: ইমন মিশ্র, তাল: দাদরা)
  • বসিয়া বিজনে কেন একা মনে (রাগ: ইমন মিশ্র, তাল: কাহারবা)
  • যবে তুলসী তলায় প্রিয় সন্ধ্যা (রাগ: ইমন মিশ্র, সুর: কমল দাসগুপ্ত)

৩. ছায়াছবি ও আধুনিক বাংলা গান

  • হিন্দি চলচ্চিত্র: Jab Deep Jale Aana (Chitchor)
  • আধুনিক বাংলা গান: আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে

৪. বিখ্যাত গজল সংকলন

  • Ranjish Hi Sahi, Dil Hi Dukhane Ke Liye Aa (কণ্ঠ: মেহেদী হাসান)
  • Shola Hun Bhadakne Ki Gujarish Nahin Karta (কণ্ঠ: জগজিৎ সিং)
  • Tum Nahin, Gam Nahin, Sharab Nahin (কণ্ঠ: জগজিৎ সিং)
  • Jal Bhi Chuke Parvane (কণ্ঠ: মেহেদী হাসান)

রাগ ইমন ভিত্তিক গীতিসংকলন

[ইমন রাগের গান
গাইতে ভালো লাগে সন্ধ্যায়]-২
কড়িমার ছোঁয়ায় মন
বন্দি হতে চায় সে সুর কারায়
ইমন রাগের গান
গাইতে ভালো লাগে সন্ধ্যায়।
[ইমন এমন যেমন আনন্দ বেদনার মিলন]-২
[গানের সুরে যেন কান্না ঝুরে]-২
সে কান্না কাঁদতে চায় মন চায়
ইমন রাগের গান
গাইতে ভালো লাগে সন্ধ্যায়।
[ইমন দিনের অন্তিম আলাপন
কড়িমার ছোঁয়ায় দিন আবার নূতন]-২
[ইমন জানে তারে চেনে যারা বেদন মনে]-২
[রিক্ত প্রাণের আশ্রয় ইমনই]-২
সে মন ইমন সনে বার বার যায়
ইমন রাগের গান
গাইতে ভালো লাগে সন্ধ্যায়
কড়িমার ছোঁয়ায় মন
বন্দি হতে চায় সে সুর কারায়
ইমন রাগের গান
গাইতে ভালো লাগে সন্ধ্যায়।
Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

জনপ্রিয় খবর

জনপ্রিয় বিভাগ

আমাদের সম্পর্কে

সঙ্গীত গুরুকুল, GOLN হলো সংগীতপ্রেমীদের জন্য একটি অনলাইন জ্ঞান ও তথ্যভান্ডার। এখানে থাকছে গানের কথা ও বাণী, শিল্পী ও সংগীত ব্যক্তিত্বের তথ্য, গানের ধরন, সংগীত শিক্ষা, ইতিহাস, রিভিউ এবং সংগীতজগতের সাম্প্রতিক নানা বিষয়। সংগীতকে জানা, শেখা ও ভালোবাসার একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

ইমেইল করুন:

Press Release: pr@bn.musicgoln.com

Complaint: complaint@bn.musicgoln.com

Contact: +8801775895618

© ২০২৬ সঙ্গীত গুরুকুল, GOLN। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।