রাগ ধুড়িয়া মল্লার উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে কাফি ঠাটের অন্তর্গত রাগ বিশেষ। এই রাগে কোমল গান্ধার, দুই নিষাদ ব্যবহৃত হয়। তবে কোমল গান্ধার একটু বিশেষ ভঙ্গিতে ব্যবহৃত হয়। রজ্ঞরস, রমপ অথবা রজ্ঞ সর, মপ স্বরবিন্যাসে কোমল গান্ধার মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর আরোহণে রজ্ঞমপ, জ্ঞমপ এবং অবরোহণে পজ্ঞর, মজ্ঞর স্বর সমষ্টি প্রয়োগ নিষিদ্ধ। গান্ধার মূল রাগের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু রাগরূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য গান্ধারের ব্যবহার করা হয়। এই কারণে এর জাতি হিসেবে ষাড়ব নির্ধারিত হয়।
রাগ ধুড়িয়া মল্লার
এই রাগে শুদ্ধ নিষাদ আরোহণে এবং কোমল নিষাদ অবরোহণে
আরোহণ: স র মপ ধ ন র্স
অবরোহণ : র্স ণ ধ প ম র, স
ঠাট : কাফি
জাতি : ষাড়ব-ষাড়ব।
বাদীস্বর : ঋষভ
সমবাদী স্বর : পঞ্চম
অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ।
সময় : বর্ষা ঋতুতে সকল সময় গাওয়া যায়, অন্য সময় রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর।
পকড় : পণধণমপ, র্সণধপ, ণমপ মর, ন্স রমর, রজ্ঞ সর ম মপ।
তথ্যসূত্র:
গীতবল্লরী পঞ্চম ভাগ। শ্রীপ্রশান্ত দাশগুপ্ত। ১৪ এপ্রিল, ১৯৭৩।

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর একজন বাংলাদেশি শিক্ষক, উদ্যোক্তা, সঙ্গীতানুরাগী ও সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষক। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত, বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা করেন। সঙ্গীতের ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও জ্ঞানকে বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। সঙ্গীতের প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহ এবং সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছে।












![তত্ত্ব তুমি কি দেখেছ কভু [ Tumi Ki Dekhecho Kovu ]](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/2024/02/তুমি-কি-দেখেছ-কভু-1024x576.webp)

