রাগ পরজ উত্তর ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রে বর্ণিত পূরবী ঠাটের অন্তর্গত একটি রাগের নাম। এটি একটি চঞ্চল প্রকৃতির রাগ। মধ্য ও তার সপ্তকে এই রাগের বিস্তার ঘটে। উভয় মধ্যম ব্যবহৃত হয়। এই রাগটি শেষ রাতে গাইবার বাজাবার রাগ। এটি একটি উত্তরাঙ্গ-প্রধান রাগ। তার সপ্তকে রাগটি গাওয়া বাজানো হয়।

রাগ পরজ
এই রাগে দ প গ ম গ ও হ্ম দ ন র্স স্বরবিন্যাস প্রচুর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
আরোহণ: ন্ স গ, হ্ম দ ন র্স
অবরোহণ: র্স ন দ প, হ্ম প দ প, গ হ্ম গ, ম গ ঋ স
ঠাট: পূরবী
জাত: ঔড়ব-সম্পূর্ণ
বাদীস্বর : ম (মতান্তরে প)
সমবাদী স্বর: প
অঙ্গ: উত্তরাঙ্গ।
সময়: রাত্রি শেষ প্রহর বা প্রাতঃকালীন সন্ধিপ্রকাশ রাগ
পকড় : র্স, ন দ প, হ্ম প দ প, গ হ্ম গ

তথ্যসূত্র:
সঙ্গীত শাস্ত্র। তৃতীয় খণ্ড। শ্রীইন্দু ভূষণ রায়।
সংগীত পরিচিতি (উত্তর ভাগ)। শ্রীনীলরতন বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪ এপ্রিল, ১৯৭৯।

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর একজন বাংলাদেশি শিক্ষক, উদ্যোক্তা, সঙ্গীতানুরাগী ও সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষক। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত, বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা করেন। সঙ্গীতের ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও জ্ঞানকে বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। সঙ্গীতের প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহ এবং সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছে।















