শুধু গান গেয়ে পরিচয় [ Shudhu Gaan Geye Porichoy ] | অবুঝ মন | সাবিনা ইয়াসমিন

শুধু গান গেয়ে পরিচয় [ Shudhu Gaan Geye Porichoy ] | অবুঝ মন | সাবিনা ইয়াসমিন

“শুধু গান গেয়ে পরিচয়” গানটি বাংলাদেশ এর খুবই জনপ্রিয় একটি গান । গানটি বাংলা চলচিত্র অবুঝ মন ছবিতে গাওয়া হয়েছে । অবুঝ মন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত পরিচালক কাজী জহির।

শুধু গান গেয়ে পরিচয় [ Shudhu Gaan Geye Porichoy ] | অবুঝ মন | সাবিনা ইয়াসমিন

গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার । 

সুরকার: আলতাফ মাহমুদ ।

প্রথম রেকর্ডের কন্থশিল্পীঃ সাবিনা ইয়াসমিন ।

 

 

শুধু গান গেয়ে পরিচয় লিরিক্স :

শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
চলার পথে ক্ষণিক দেখা
একি শুধু অভিনয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়।
এই অবুঝ মনে কে যে ক্ষণে ক্ষণে।।
চুপি চুপি দোলা দেয়
ওগো জোছনা তুমি বলোনা
কেন যে উতলা এ হৃদয়।
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
চলার পথে ক্ষণিক দেখা
একি শুধু অভিনয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়।
জানি সাঁঝের বেলা ফেলে সকল খেলা।।
নীড়ে পাখি ফিরে যায়
তবু আকাশে,গানের আভাসে
চলারো কাহিনী লেখা রয়।
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
চলার পথে ক্ষণিক দেখা
একি শুধু অভিনয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়
শুধু গান গেয়ে পরিচয়।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারঃ

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুরকার-গীতিকারদের একজন। স্বাধীনতা ও দেশপ্রেম নিয়ে অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা মাজহারুল আনোয়ার একাধারে একজন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রচয়িতা, গীতিকার ও সুরকার। তিনি ২০০২ সালে বাংলাদেশের একুশে পদক এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

২০ হাজার গানের রচয়িতা গাজী মাজহারুল আনোয়ার ১৯৬৪ সাল থেকে রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই নিয়মিত গান ও নাটক রচনা করেন। প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য গান লেখেন ১৯৬৭ সালে আয়না ও অবশিষ্ট চলচ্চিত্রের জন্য। ১৯৬৭ সালে চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গান লেখাতেও দক্ষতা দেখান তিনি।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ১৯৪৩ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

আলতাফ মাহমুদঃ

আলতাফ মাহমুদ  একজন বাংলাদেশি সুরকার, সংস্কৃতিকর্মী ও স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন ভাষাসৈনিক ছিলেন এবং শহিদ দিবস নিয়ে রচিত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটির বর্তমান সুরটিও তারই করা।১৯৩৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার পাতারচর গ্রামে আলতাফ মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করে বিএম কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি চিত্রকলা শিখতে ক্যালকাটা আর্টস স্কুলে গমন করেন। বিদ্যালয়ে থাকা অবস্থাতেই মাহমুদ গান গাইতে শুরু করেন।

সাবিনা ইয়াসমিনঃ

সাবিনা ইয়াসমিন একজন বাংলাদেশিনেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী। সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে।

 

YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 শুধু গান গেয়ে পরিচয় [ Shudhu Gaan Geye Porichoy ] | অবুঝ মন | সাবিনা ইয়াসমিন
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

সাবিনা’ ইয়াসমিন ১৯৫৪ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা লুতফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মাতা বেগম মৌলুদা খাতুন। পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরায়। তার গাওয়া দেশাত্মবোধক গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো”, “সব ক’টা জানালা খুলে দাও না”, “ও আমার বাংলা মা”, “মাঝি নাও ছাড়িয়া দে”, “সুন্দর সুবর্ণ” ও “একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার”।

Leave a Comment