সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ই জুন ২০২২, ৭:১ পিএম
সকলি তোমারি লিরিক্স [ Shokoli Tomari Lyrics ]
Table of Contents
কুমার শানু । Kumar Sanu
কুমার শানু (জন্ম নাম কেদারনাথ ভট্টাচার্য, জন্ম গ্রহণ করেন কলকাতা) ভারতের একজন উল্লেখযোগ্য বলিউড গায়ক. তিনি এওয়ার্ড পান ফিল্ম ফেয়ার সেরা পুরুষ গায়ক পর পর পাঁচ বছর. তাকে ভারত সরকার ২০০৯ সালে পদ্মশ্রী তে সম্মানিত করে ।
১৯৮৭ সনে, সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক জগজিত সিং হিন্দি ছবি আন্ধিয়া তে গান গাওয়ার সুযোগের কথা শানুকে প্রস্তাব করেন। শানু তখন মুম্বাই তে চলে আসেন, যেখানে কল্যাণজী-আনান্দজী তাকে গান গাওয়ার সুযোগ দেন হিন্দি ছবি যাদুকর এ।
কল্যাণজী-আনান্দজী তাকে তার নাম কেদারনাথ ভট্টাচার্য’ থেকে কুমার শানু করার প্রস্তাব দেন।
শানু জগজিত সিং এর ছবিতে গান গাওয়া বন্ধ করেন,এবং পরে তিনি চলে যান কাজ করতে সুরকার নওশাদ, রাভিন্দ্র জেইন, হৃদয় নাথ মঙ্গেশকর, পিটি, আর, কে, রাজদান, কল্যাণজী-আনান্দজী ও উষা খান্না এর সাথে।
১৯৯০ এর ছবি আশিকি’ এর জন্য সংগীত পরিচালক নদীম-শ্রবন খুজে পান কুমার শানুকে গান গাওয়ার জন্য। যার মধ্যে আছে “এক সানাম চাহিয়ে”, “তু মেরি জিন্দেগি হে”, “নাজার কে সামনে”, “জানে জিগার জানেমান”, “আব তেরে বিন জিলেংগে হাম” এবং “ধিরে ধিরে সে”। তিনি পর পর পাঁচবার পুরুষ গায়ক হিসেবে ফিল্মফেয়ার এওয়ার্ড জিতে রেকর্ড গড়েছেন।
তার পরবর্তী এওয়ার্ড এসেছে হিন্দি ছবি সাজান (১৯৯১), দিওয়ানা (১৯৯২), বাজিগর (১৯৯৩), এবং ১৯৪২: এ লাভ স্টোরি (১৯৯৪) থেকে।
শানু প্রায়ই সহযোগিতা করতেন নদীম-শ্রবন। তাদের কিছু সহযোগিতা মূলক গানের ছবি গুলো হলো আশিকি (১৯৯০), দিল হে কি মানতা নেহি (১৯৯১), সড়ক (১৯৯১), সাজান (১৯৯১), দিওয়ানা (১৯৯২), দিল কা কিয়া কাসুর (১৯৯২), কাল কা আওয়াজ’ (১৯৯২), শ্রীমান আশিকি (১৯৯৩), সলামী (১৯৯৩), দামিনী (১৯৯৩), দিলওয়ালে (১৯৯৪), অগ্নি সাক্ষী (১৯৯৬), রাজা হিন্দুসস্থানী (১৯৯৬), জীত (১৯৯৬), পরদেশ (১৯৯৭), এগুলো ছাড়াও আরো।
দুই দশকের কর্ম জীবন পার করেন তিনি অনেক সংগীত পরিচালকের সাথে, তাদের মধ্যে হচ্ছেন, আর.ডি. বর্মন, আনান্দ-মিলিন্দ, আনু মালিক, যতীন-ললিত, নদীম-শ্রবন, হিমেশ রেশমিয়া, ইসমাইল দরবার, কল্যাণজী-আনান্দজী, লক্ষিকান্ত-পেয়ারেলাল, রাজেশ রোশন, সাজিদ-ওয়াজিদ, ভিজু শাহ, উত্তম সিং এরদুশমন ছবিতে, রাম-লক্ষন, দীলিপ সেন-সমীর সেন, আনন্দ রাজ আনন্দ, আদেশ শ্রীভাস্তাব, বিশাল-শেখর, এম. এম. কেরাভানি এবং ভিশাল ভারাডওয়াজ।
মন্তব্য