সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ই ডিসেম্বর ২০২২, ১:৮ পিএম

সাবা তানি ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশক থেকে একজন বাংলাদেশী গায়িকা ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে “কিছুক্ষণ”, “ভালবাসা বহুরূপী” এবং “কোনো বৈশাখী রাতে যদি” ।
Table of Contents
সাবা তানি ১৯৬৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তানি বড় হয়েছে করটিয়া ইউনিয়নের, টাঙ্গাইল এ। তার বাবা মরহুম শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মা মিসেস হাজেরা চৌধুরী। তার দুই ভাই দুই বোন।
আশি নব্বই দশকের পর সংগীত থেকে দূরে সরে যান তানি, যার সঙ্গীত জগতে আসা সাবা পন্নী নামে।
অনেক দিন নিভৃতে থাকার পর এ কণ্ঠশিল্পী মাঝে ‘ক্লোজআপ ওয়ান: তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ ২০১২’ প্রতিযোগিতায় সিলেট অঞ্চলের বাছাই পর্বের বিচারক হিসেবে কাজ করেছিলেন।
এরপর, ২০১৬ সালে টিভি পর্দায় বেশ কিছু গানের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন পর সংগীতে ফিরেছিলেন সাবা।সবশেষ ২০১৬ সালে বাংলাভিশনের একটি ঈদ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। চার বছর আগে দেশ টিভির ‘কল-এর গান’ অনুষ্ঠানেও দীর্ঘদিন পর সংগীত পরিবেশন করেছিলেন সাবা।
ক্যারিয়ারে সাবা তানি পপ ঘরানার গানের জন্য দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন। তার কণ্ঠে জনপ্রিয় হওয়া গানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘কিছুক্ষণ’, ‘কোনো বৈশাখী রাতে যদি’ প্রভৃতি।বাংলাদেশ টেলিভিশন ও মঞ্চে গান গেয়ে জনপ্রিয় হন তিনি। তাঁর গাওয়া কিছু গজল ওই সময় খুব প্রশংসিত হয়েছিল।
সাবা তানি ও রবি চৌধুরীর গাওয়া ‘ভালোবাসা বহুরূপী তাকে চেনাতো যায় না’ গানটি একসময় শ্রোতা-দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। লিটন অধিকারী রিন্টুর লেখা এবং প্রণব ঘোষের সুর সংগীতের এই গানটিই ছিলটাটার সর্বশেষ আলোচিত গান।

চলচ্চিত্র অভিনেতা নাঈম তানির খালাতো ভাই ছিলেন ।তার একমাত্র সন্তান মাশায়েল আনীদ যুক্তরাজ্যে থাকেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিম্ন রক্তচাপে ভুগছিলেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নিম্ন রক্তচাপের কারণে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। তাকে টাঙ্গাইলের গড়াই গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়।
মন্তব্য