হাওয়ার উপর চলে গাড়ি [Hawar upor chole gari ] | শাহ আলম সরকার
গানটি লিখেছেন মুনীর সরকার । গানটি বাংলার একটি লোকসংগীত । লোক সঙ্গীত বাংলাদেশের সঙ্গীতের একটি অন্যতম ধারা। এটি মূলত বাংলার নিজস্ব সঙ্গীত। গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের কথা, সুখ দুঃখের কথা ফুটে ওঠে এই সঙ্গীতে।
Table of Contents
হাওয়ার উপর চলে গাড়ি [Hawar upor chole gari ] | শাহ আলম সরকার
গীতিকারঃ মনির সরকার ।
প্রথম রেকর্ডের কন্থশিল্পীঃ শাহ আলম সরকার
হাওয়ার উপর চলে গাড়ি লিরিক্স :
হাওয়ার উপর চলে গাড়ি,
লাগেনা পেট্রোল ডিজেল।
মানুষ একটা দুই চাক্কার সাইকেল।
কি চমৎকার গাড়ির মডেল গো,
চমৎকার গাড়ির মডেল,
মানুষ একটা দুই চাক্কার সাইকেল।
দুই চাক্কায় করেছে খাড়া,
জায়গায় জায়গায় স্ক্রপ মারা,
বাহাত্তর হাজার ইস্পাত দিয়া,
এই সাইকেল গড়া।
চিন্তা করে দেখনা একবার,
দুইশ ছয়টা হয় এক্সেল।
নতুন সাইকেল পুরান হইবে,
কলকব্জায় জং যে ধরিবে,
বেল বাটির ঐ ঠনঠন আওয়াজ বন্ধ যে হইবে।
এককদম আগে না বাড়বে,
হাজার বার মারলেও প্যাডেল।
ফুরাইলে সাইকেলের বাতাস,
ওসেদিন হবে সর্বনাশ,
গিয়ার তোমার কাজ করবেনা,
রাখিও বিশ্বাস।
মনির সরকার হইয়া লাশ,
থাকবে ভব মেডিকেল।
![হাওয়ার উপর চলে গাড়ি [Hawar upor chole gari ] | শাহ আলম সরকার 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 হাওয়ার উপর চলে গাড়ি [Hawar upor chole gari ] | শাহ আলম সরকার](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
Hawar upor chole gari :
শাহ আলম সরকারঃ
শাহ আলম সরকারের জন্ম ১লা ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫। তিনি গ্রাম-গঞ্জ শহর নির্বিশেষে বাউল শিল্পী হিসেবে একজন জীবন্ত কিংবদন্তী ।তিনি বিক্রমপুরের লৌহজং উপজেলার কুড়িগাঁও গ্রামের এক সম্ভান্ত ও ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত পরিবারে জন্মেছিলেন ।
লোকসঙ্গীতঃ
লোক সঙ্গীত ( ফোক সঙ ) বাংলাদেশের সঙ্গীতের একটি অন্যতম ধারা। এটি মূলত বাংলার নিজস্ব সঙ্গীত। গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের কথা, সুখ দুঃখের কথা ফুটে ওঠে এই সঙ্গীতে। এর আবার অনেক ভাগ রয়েছে। এটি একটি দেশের বা দেশের যেকোনো অঞ্চলের কালচার সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। যেমন ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, পল্লীগীতি, গম্ভীরা ইত্যাদি।
যে সংগীতে, গ্রাম বাংলার লোকের জীবনের হর্ষ, বিষাদ, সার্থকতা, ব্যর্থতার কথা তথা গ্রাম বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের জীবনযাত্রা, রীতিনীতির চিত্র ফুটে উঠে, তাকেই লোকসংগীত বলা হয়।সংগীতের একটি ধারা লোকসংগীত। এবং লোক সংগীতেরও বিভিন্ন প্রকারভেদ আছে, যথা ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, পল্লীগীতি, গম্ভীরা, ইত্যাদি।
লোক সংগীতপ্রেমী লেখক-গবেষকগন খানিকটা আবেগ তাড়িত হয়ে বলে থাকেন হাজার নদীর কূলধ্বনি আর পাখপাখালির কলকাকলির মতোই বাঙালির কন্ঠে আবহমান কাল ধরে তার গানের সুর খেলে যাচ্ছে ৷
অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় বাউল নামে এক অধ্যাত্মবাদী চারণকবি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে। মনে করা হয়, তান্ত্রিক কর্তাভজা সম্প্রদায় ও ইসলামি সুফি দর্শনের ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল এঁদের গানে। বাউলরা তাদের চিরন্তন অন্তর্যামী সত্ত্বা মনের মানুষ-এর ঘুরে ঘুরে গান গাইতেন এবং ধর্মে ধর্মে অযৌক্তিক ভেদাভেদ ও আনুষ্ঠানিকতার কথা তুলে ধরতেন। কুষ্টিয়ার লালন ফকিরকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাউল মনে করা হয়। তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
বাউল সঙ্গীতের আরও কয়েকজন বিশিষ্ট নাম হলেন মধ্যযুগের হাসন রাজা এবং আধুনিক যুগের বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম ও বাউল-সম্রাট পূর্ণদাস বাউল