রাগ ইমন কল্যাণ । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ ইমন কল্যাণ উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে কল্যাণ ঠাটের অন্তর্গত রাগ বিশেষ। দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে এই রাগের নাম যমুনা কল্যাণী। অনেকই বলে থাকেন যে, ইয়ামন অঞ্চলের কোনো রাগের সাথে কল্যাণ রাগের মিশ্রণে আমির খসরু এই রাগটি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু প্রাচীন ভারতীয় যমুনা কল্যাণী থেকে ইয়ামন>ইমন কল্যাণ নামটি এসেছিল কিনা, এই সন্দেহ থেকেই যায়।

রাগ ইমন কল্যাণ

 

 

এই রাগের এই রাগে উভয় মধ্যম ব্যবহৃত হয়। এর চলন অনেকটাই কল্যাণ রাগের মতো। শুদ্ধ মধ্যমের কৌশলী ব্যবহারের সূত্রে এই রাগ কল্যাণ থেকে পৃথক সুরশৈলী হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

আরোহণ: ন্ র গ হ্ম প ধ ন র্স
অবরোহণ : র্স ন ধ প হ্মগ মগ রস
ঠাট : কল্যাণ
জাতি : সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ।
বাদীস্বর : গ
সমবাদী স্বর : ন (মতান্তরে ধ)
অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ।
সময় : রাত্রি প্রথম প্রহর।
পকড় : ন্ রগ রস, পহ্মগ রগ মগ র স।

 

তথ্যসূত্র:

উচ্চাঙ্গ ক্রিয়াত্মক সঙ্গীত। শক্তিপদ ভট্টাচার্য। নাথ ব্রাদার্স। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।

রাগ বিন্যাস (প্রথম কলি)। শ্রীশচীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য্য। এস, চন্দ্র এন্ড কোং। শারদীয়া সপ্তমী, সেপ্টেম্বর ১৯৭৬।

 

 

রাগ শ্রেণী। পণ্ডিত ভীমরাও শাস্ত্রী। ১৩৫৩। পৃষ্ঠা: ২০-২১।

हिन्दुस्थानी सङ्गीत पद्धति क्रमिक पुस्तक मालिका दुसरी पुस्तक। পণ্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখণ্ডে। এপ্রিল ১৯৫৪।

 

Leave a Comment