বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বাংলা সুগম সঙ্গীত (আধুনিক গান, নজরুল গীতি ও ছায়াছবির গান) যে রোমান্টিকতা, মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা ও সুরের লালিত্যে পৌঁছায়, তার নেপথ্যে অন্যতম প্রধান স্থপতি ছিলেন সতীনাথ মুখোপাধ্যায় (১৯২৩–১৯৯২)। বিশ শতকের চল্লিশের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত তিনি স্বকীয় গায়নশৈলী, সাবলীল গীত রচনা এবং অনন্য সুরসংযোজনের মাধ্যমে বাঙালি শ্রোতার হৃদয়ে এক স্থায়ী আসন তৈরি করে নেন।
তাঁকে বলা হতো ‘বেদনা-মধুর কণ্ঠের জাদুকর’। বিরহ, রোমান্টিকতা এবং জীবনের বিষাদকে শাস্ত্রমূলীয় মাধুর্য দিয়ে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে তাঁর তুল্য শিল্পী বাংলা সংগীতে বিরল। একদিকে ওস্তাদি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিখুঁত ব্যাকরণ, অন্যদিকে বাংলা গজলের মৃদু অলঙ্কার এবং হৃদয়ে দোলা দেওয়া সুর—এই তিনের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের সৃষ্টিতে।
এক নজরে সতীনাথ মুখোপাধ্যায়
জন্ম: ১৯২৩, লখনউ, উত্তর প্রদেশ, ভারত পৈতৃক ভিটা: চুঁচুড়া, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ মৃত্যু: ১৩ ডিসেম্বর ১৯৯২ (বয়স ৬৯ বছর), পিজি হাসপাতাল (এসএসকেএম), কলকাতা পিতা: তারকদাস মুখোপাধ্যায় | পিতামহ: রামচন্দ্র বেহালাদার সঙ্গীত গুরু: পণ্ডিত চিন্ময় লাহিড়ী কর্মজীবন: অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল কার্যালয় (AG Bengal) ও পেশাদার শিল্পী জীবনসঙ্গিনী: গীতশ্রী উৎপলা সেন (বিবাহ: ১৯৬৮) প্রধান পরিচিতি: কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক স্বাক্ষর গান: ‘পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম’, ‘জীবনে যদি দীপ জ্বালাতে নাহি পারো’, ‘এখনও আকাশে চাঁদ ওই জেগে আছে’, ‘ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না’

Table of Contents
প্রথম জীবন ও পারিবারিক শেকড়
[পৈতৃক নিবাস: চুঁচুড়া, হুগলি] ──► [জন্ম: লখনউ (১৯২৩)]
│
▼
[চুঁচুড়ায় বেড়ে ওঠা ও বি.এ. পাশ]
│
▼
[এম.এ. পড়তে কলকাতায় আগমন]
│
▼
[সঙ্গীতে পূর্ণ আত্মনিয়োগ ও পণ্ডিত চিন্ময় লাহিড়ীর শিষ্যত্ব]
পারিবারিক সুরমণ্ডল
শিক্ষাজীবন

শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম ও কর্মজীবনের প্রারম্ভ
পণ্ডিত চিন্ময় লাহিড়ীর শিষ্যত্ব
- ধ্রুপদ ও ধামার: গানের অনমনীয় কাঠামোগত সুরের ওপর দখল অর্জন করেন।
- টপ্পা ও ঠুমরি: গায়নিতে মেণ্ড, খটকা ও মিহি কাজের সূক্ষ্মতা শেখেন।
- গজল ও রাগসঙ্গীত: লখনউয়ের জন্মসূত্র এবং পণ্ডিতজীর তালিমের বদৌলতে উত্তর ভারতীয় গজলের মেজাজ ও রাগসঙ্গীতের গভীরতা তাঁর গায়নিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিশে যায়।
সরকারি চাকরি ও সঙ্গীত সাধনার ভারসাম্য
সঙ্গীত জীবনের সূচনা: নজরুল গীতি ও ঐতিহাসিক ১০ বছরের বিরতি
১৯৪২: প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড
“ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি”
+-----------------------------------------------------------------------------------+
| সতীনাথের প্রাথমিক রেকর্ডিং যাত্রা |
+-----------------------------------------------------------------------------------+
| • ১৯৪২: প্রথম প্রকাশ --> নজরুল গীতি "ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি" (বিপুল সাফল্য) |
| • ১৯৪২-১৯৫২: বিরতিকাল --> দীর্ঘ ১০ বছর নীরবতা, নির্জন রেওয়াজ ও সুর সৃষ্টির সাধনা |
| • ১৯৫২: মহাসমারোহে প্রত্যাবর্তন --> "আমি চলে গেলে পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম"|
+-----------------------------------------------------------------------------------+
দীর্ঘ ১০ বছরের অন্তর্ধান ও মহাসমারোহে প্রত্যাবর্তন
প্রথম রেকর্ডের সাফল্য সত্ত্বেও অলৌকিক এক নীরবতায় তলিয়ে যান সতীনাথ। ১৯৪২ থেকে ১৯৫২—এই দীর্ঘ দশ বছর তাঁর কোনো নতুন গান রেকর্ড হয়নি। এই সময়টিতে তিনি সুরের পেছনে নিঃশব্দে কাজ করেছেন, নিজেকে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন এবং নিজস্ব সুরশৈলী তৈরি করেছেন।
১৯৫২ সালে সেনোলা/এইচএমভি রেকর্ড থেকে যখন তাঁর দ্বিতীয় রেকর্ড প্রকাশিত হলো, তখন বাংলা গান যেন এক নতুন যুগান্তরের সাক্ষী হলো। এই রেকর্ডে ছিল দুটি গান:
১. “আমি চলে গেলে পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম”
২. “এ জীবনে যেন আজ কিছু ভালো লাগে না”
এই দুটি গান মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথে পুরো বাংলায় অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সতীনাথ মুখোপাধ্যায় এক রাতেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যান। ‘পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম’ গানটি বাংলা সুগম সঙ্গীতের ইতিহাসে চিরকালের জন্য এক শ্রেষ্ঠ বিষাদময় প্রেমের গান হিসেবে স্থান করে নেয়।

স্বতঃস্ফূর্ত গীতিকার ও সুরস্রষ্টা: আড্ডার টেবিলে ও সিগারেটের প্যাকেটে গান
সিগারেটের প্যাকেটে সুর ও বাণী
+-----------------------------------+
| সতীনাথের স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীলতা |
+-----------------------------------+
│
+--------------------------+--------------------------+
│ │
▼ ▼
[চলন্ত গাড়িতে বা আড্ডায় সুরের আগমন] [পকেটের সিগারেটের প্যাকেটে গীতিরূপ]
│ │
+--------------------------+--------------------------+
│
▼
[কালজয়ী গান: 'জীবনে যদি দীপ', 'এখনও আকাশে চাঁদ']
- জোৎস্না রাতের সৃষ্টি: এক জোৎস্না রাতে গাড়িতে যাওয়ার সময় হুট করেই তাঁর মাথায় সুর ও বাণী খেলে যায়। সাথে সাথে দেশলাই ও সিগারেটের বাক্সের কাগজের ওপর লিখে ফেলেন কালজয়ী গান: “এখনও আকাশে চাঁদ ওই জেগে আছে”।
- অন্যান্য জনপ্রিয় স্বরচিত গান: “জীবনে যদি দীপ জ্বালাতে নাহি পারো”, “মরমিয়া তুমি”, “ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না”—এ জাতীয় অনেক গানের নেপথ্যেই ছিল তাঁর এই তাৎক্ষণিক ও নিখাদ সৃষ্টিশীল মুহূর্ত।
নজরুল গীতি ও বাংলা গজলের অপ্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পী
কাজী নজরুল ইসলামের গানের বাভাবের সাথে সতীনাথের গায়কির এক আত্মিক মেলবন্ধন ছিল। নজরুলের বৈচিত্র্যময় সৃষ্টির মধ্যে রোমান্টিক ও রাগাশ্রয়ী গান এবং গজল পরিবেশনায় সতীনাথ ছিলেন অনন্য।
- ঐতিহাসিক দাবি: সঙ্গীত বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে, নজরুলের বিখ্যাত কালজয়ী গান “ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” প্রথম দিককার পুরুষ শিল্পীদের মধ্যে সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠেও রেকর্ড করা হয়েছিল এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
- বিখ্যাত নজরুল গীতিসমূহ:
- “তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি”
- “পরো পরো পারসী পোশাক”
- “দূর দ্বীপবাসিনী”
- “কে দূর বনে উদাসী বাঁশী বাজায়”
লখনউয়ের গজলের টান এবং ধ্রুপদী অঙ্গের কাজ থাকার কারণে সতীনাথের কণ্ঠে নজরুল গীতি আলাদা এক মাত্রা পেত। তান বা তাড়া না দিয়ে তিনি মিণ্ড ও অনুভূতির কোমল স্পর্শ দিয়ে গানকে শ্রোতার অন্তরে পৌঁছে দিতেন।
ব্যক্তিগত জীবন: গীতশ্রী উৎপলা সেন ও সুরের দাম্পত্য
+-----------------------------------+
| সতীনাথ মুখোপাধ্যায় ও উৎপলা সেন |
| (জীবনের ও সুরের অনন্য যুগলবন্দী) |
+-----------------------------------+
│
+--------------------------+--------------------------+
│ │
▼ ▼
[ব্যক্তিগত সঙ্গ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা] [দ্বৈত গান ও যুগল সুর পরিচালনা]
│ │
+--------------------------+--------------------------+
│
▼
[কালজয়ী দ্বৈত গান ও যৌথ সঙ্গীত পরিবেশনা]
উৎপলা সেনের সাথে পরিচয় ও প্রেম
১৯৬৮ সালের বিবাহ
যৌথ সঙ্গীত সফর
বাংলা চলচ্চিত্রে সতীনাথ মুখোপাধ্যায়: সুর পরিচালনা ও গীতিআলেখ্য
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ
- লৌহকপাট (১৯৫৭): জরাসন্ধের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গীত পরিচালনা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।
- মানময়ী গার্লস স্কুল (১৯৫৮): জনপ্রিয় এই হাসির ছবিতে সুরের হালকা ও মিষ্টি মেজাজ ফুটিয়ে তোলেন।
- জাগৃতি (১৯৫৯): সামাজিক পটভূমির এই ছবিতে তাঁর সুরের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- মা ও শেষ পরিচয়: আবেগঘন দৃশ্যপট অনুযায়ী ক্লাসিক্যাল ও আধুনিক সুরের মেলবন্ধন ঘটান।
অন্যান্য বিখ্যাত শিল্পীদের সাথে কাজ
সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের নির্বাচিত কালজয়ী গানসমূহের তালিকা
| গানের শিরোনাম | ভূমিকা / ধারা | প্রধান শিল্পী | গীতিকার / সুরকার |
| পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম | আধুনিক (বিষাদময়) | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | শ্যামল গুপ্ত / সতীনাথ মুখোপাধ্যায় |
| জীবনে যদি দীপ জ্বালাতে নাহি পারো | আধুনিক রোমান্টিক | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
| আকাশ এত মেঘলা | কালজয়ী আধুনিক | উৎপলা সেন | পবিত্র মিত্র / সতীনাথ মুখোপাধ্যায় |
| এখনও আকাশে চাঁদ ওই জেগে আছে | সান্ধ্য আধুনিক | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
| ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না | আধুনিক নিবেদন | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
| মরমিয়া তুমি | প্রেম ও অনুভূতি | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
| জানি একদিন আমার এ জীবন | দার্শনিক আধুনিক | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | শ্যামল গুপ্ত / সতীনাথ মুখোপাধ্যায় |
| তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি | নজরুল গীতি | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | কাজী নজরুল ইসলাম / কাজী নজরুল |
| কত না হাজার ফুল | আধুনিক গান | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | শ্যামল গুপ্ত / সতীনাথ মুখোপাধ্যায় |
| হায় বরষা | ঋতুভিত্তিক লঘু | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
| বন্ধু হয় অনেকে | সামাজিক/প্রেম | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | প্রণেতা নির্দিষ্ট / সতীনাথ |
| পালাই পালাই পালাই রে | আধুনিক লঘু | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় | সতীনাথ মুখোপাধ্যায় / সতীনাথ |
সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের গায়কি ও সুররীতির বিশ্লেষণ
১. ‘বেদনা-মধুর’ ভয়েস টেক্সচার
২. রাগসঙ্গীতের প্রয়োগ
- রাগ পিলু ও খাম্বাজ: রোমান্টিক ও বিরহী গানের জন্য।
- রাগ শিবরঞ্জনী ও ভৈরবী: আকুলতা ও আধ্যাত্মিক ভাব প্রকাশের জন্য।
- রাগ ইমন ও ভূপালী: সান্ধ্যকালীন অনুভূতির ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরির জন্য।
৩. শব্দচয়ন ও বাণীর স্পষ্টতা

জীবনাবসান ও চিরায়ত উত্তরাধিকার
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের জটিলতা ও বক্ষব্যাধিতে (Pulmonary Complications) ভোগার পর, ১৯৯২ সালের ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার ঐতিহাসিক পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে এসএসকেএম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬৯ বছর বয়সে এই মহান শিল্পী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে বাংলা সুগম সঙ্গীতের স্বকীয় এক যুগের অবসান ঘটে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া গান আজও বাঙালি জীবনের বিষাদগ্রস্ত দুপুর, বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা কিংবা একাকী রাতে সান্ত্বনা হয়ে বাজে।
সতীনাথ মুখোপাধ্যায় ছিলেন সেই বিরল শিল্পীদের একজন, যাঁরা কেবল সুর তৈরি করেননি, বরং সুরের ভেতরে নিজের আত্মাকে সমর্পণ করেছিলেন। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘পাষাণের বুকে লিখো না আমার নাম’ যেন ভুল প্রমাণিত হয়েছে—পাথরে না লেখা হলেও প্রতিটি সুররসিক বাঙালির হৃদয়ে তাঁর নাম চিরদিনের জন্য খোদাই হয়ে গেছে।
রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র
বাংলা সঙ্গীতের কালজয়ী ব্যক্তিত্ব, গানের পেছনের না-বলা গল্প ও প্রাতিষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে আকর্ষণীয় আখ্যানে উপস্থাপন করতে কাজ করছে ‘ফিচার ডেস্ক’। এখানে স্থান পায় প্রখ্যাত শিল্পী ও সুরকারদের জীবনভিত্তিক বিবরণী, সৃষ্টিশীল কাজের নেপথ্য ইতিহাস এবং সুরের বিবর্তনের তথ্যভিত্তিক রূপলেখ। গভীর পর্যবেক্ষণ ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণের সমন্বয়ে সঙ্গীতকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে আবিষ্কার করাই আমাদের লক্ষ্য।








![दो बीघा ज़मीन [1953] हिंदी फिल्म के गाने । सलिल चौधरी । सभी गीत 7 Do bigha zamin](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/2022/06/Do-bigha-zamin-1024x576.png)
![চেংড়া বন্ধুয়া [ Chengra Bondhua ] 8 চেংড়া বন্ধুয়া](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/চেংড়া-বন্ধুয়া-1024x576.webp)





