সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ই ডিসেম্বর ২০২২, ১:৫ পিএম

সাবরিনা পড়শী একজন বাংলাদেশী সংগীতশিল্পী। ২০০৮ সালে চ্যানেল আইয়ের “ক্ষুদে গানরাজ”-এ ২য় রানার আপ হন তিনি।তিনি পপ ও আধুনিক ধারায় গান করেন। পড়শীর প্রথম রেকর্ডিং ছিল ২০০৯ সালে একটি চলচ্চিত্রের জন্য।
Table of Contents
সাবরিনা পড়শী ১৯৯৬ সালের ৩০ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌলভী পাড়ায়। তার বাবা প্রকৌশলী এহসান-উর-রশিদ এবং মা জুলিয়া হাসান গৃহিনী। তার একমাত্র ভাইয়ের নাম সিয়াত এহসান স্বাক্ষর। তিনি অক্সফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুল, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এবং ক্যাম্ব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন।
ছোট বেলা থেকে নাচের প্রতি আগ্রহী হয়ে নাচ শেখেন পড়শী। পরবর্তীতে ক্লাসিক্যাল সংগীত শেখা শুরু করেন। ২০০৭ সালে সরকারি ভাবে আয়োজিত কমল কুড়ি নামক সংগীত প্রতিযোগিতায় দেশের গান বিভাগে বিজয়ী হন তিনি। ২০০৮ সালে চ্যানেল আইয়ের “ক্ষুদে গানরাজ” নামক গানের প্রতিযোগিতায় ২য় রানার আপ হন তিনি।
২০০৮ সালে “ক্ষুদে গানরাজ”-এ ২য় রানার আপ হওয়ার মাধ্যমে মূলত সঙ্গীত কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৯ সালে তিনি তার একক অ্যালবাম “পড়শী” এর কাজ শুরু করেন। তিনি ৫ সঙ্গীত পরিচালক সঙ্গে অ্যালবাম তৈরির কাজ করেন। অ্যালবামটি ২০১০-এর ঈদ উল ফিতরে মুক্তি পায়।
প্রথম অ্যালবাম পর তিনি ২০১১ থেকে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম “পড়শী ২” মুক্তি পায়। ২০১২ সালে পড়শী “বর্ণমালা” নামে একটি ব্যান্ড দল গঠন করেন।
২০১৩ সালের ঈদুল ফিতরে তার তৃতীয় একক অ্যালবাম “পড়শী ৩” মুক্তি পায়। এই অ্যালবামের “জনম জনম”, ‘হৃদয় আমার’, ‘লাভ স্টেশন” শীরোনামের গানগুলি বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

২০১২ সালে তিনি ‘বর্ণমালা’ নামে একটি ব্যান্ড দল গড়ে তোলেন। বর্তমানে এ ব্যান্ড দলের সদস্যরা হলেন: পড়শী (ভোকাল), কাইয়ুম (ভোকাল ও কী-বোর্ড), মিঠু (প্যাড এন্ড ড্রামস), টিপু (লীড গীটার), অনির্বান, রিন্টু (বেস গীটার) ও ব্যান্ড ম্যানেজার হিসেবে আছেন তার ভাই স্বাক্ষর এহসান।
মন্তব্য