তুমি আমায় করতে সুখী জীবনে লিরিক্স [ Tumi Amay Korte Sukhi Lyrics ] – “তুমি আমায় করতে সুখী জীবনে” গানটি গেয়েছেন অনুরাধা পৌডওয়াল ও অমিত কুমার [ Anuradha Paudwal & Amit Kumar ]। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন অনুপম।
Table of Contents
তুমি আমায় করতে সুখী জীবনে লিরিক্স
তুমি আমায় করতে সুখী জীবনে
অনেক বেদনাই সয়েছো
বলো না কি সুখ তুমি পেলে
তোমায় পেয়ে পৃথিবী পেয়েছি
আমি পেয়েছি আলো
গড়েছি প্রদীপ সেই আলো জ্বেলে
তুমি তো জীবন জুড়ে রয়েছো আমার
জানিনা কতোটা আমি হয়েছি তোমার
তুমি যে আমার সেই সুখের জোয়ার
সবুজ হয় গো মাটি যে ঢেউ এলে
গড়েছি প্রদীপ সেই আলো জ্বেলে
দিয়েছি তোমায় আমি শুধুই জ্বালা
সে জ্বালা হয়েছে মোর গলার মালা
কোথাও সীমানা নেই যে ভালোবাসার
সে প্রেমে আমায় তুমি ভরে যে গেলে
বলো না কি সুখ তুমি পেলে
Tumi Amay Korte Sukhi Lyrics – Roman
tumi amay korote sukhi,
Jibone onek bedonai soyecho
Bolo na ki sukh tumi pele?
Tomay peye, prrithibi peyechi
Ami peyechi alo
Gorechi prodip, sei alo jele
“অনুরাধা পৌডওয়াল” নিয়ে বিস্তারিতঃ
অনুরাধা পাড়োয়াল (হিন্দি: अनुराधा पौडवाल; জন্ম: ২৭ অক্টোবর ১৯৫৪) হলেন একজন ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত বলিউডে নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে গান করেন। হিন্দি ছাড়াও তিনি বাংলা, মারাঠি ভাষা, গুজরাটি, তেলুগু, তামিল, পাঞ্জাবি, অসমীয়া সংস্কৃত ভাষা, ওড়িয়া ও নেপালী ভাষা ভাষায়ও গান করেন। চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি ভজনও গেয়েছেন।
চলচ্চিত্রের গানের জন্য তিনি একবার শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুইবার ওড়িশা রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারবার শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য ২০১৭ সালে তিনি ভারত সরকার প্রদত্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত হন।
অনুরাধা চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৭৩ সালে অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চন অভিনীত অভিমান চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। এতে তিনি একটি সংস্কৃত শ্লোক গান। ১৯৮২ সালে তিনি ইয়ে নজদীকিয়া চলচ্চিত্রের রঘুনাথ শেঠের সুরে দুটি গানে কণ্ঠ দেন, তন্মধ্যে “ম্যায়নে এক গীত লিখা হ্যায়” গানের জন্য তিনি তার প্রথম শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
পরের বছর তিনি হিরো (১৯৮৩) চলচ্চিত্রে লক্ষ্মীকান্ত-প্যায়ারেলালের সুরে গান গেয়ে প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তিনি এই চলচ্চিত্রের “তু মেরা হিরো হ্যায়” গানের জন্য টানা দ্বিতীয়বারের মত শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি পুনরায় লক্ষ্মীকান্ত-প্যায়ারেলালের সুরে উৎসব (১৯৮৪) চলচ্চিত্রে উদিত নারায়ণ, সুরেশ ওয়াডকর, ও আরতি মুখার্জীর সাথে “মেরে মন বাজা মৃদঙ্গ” গানে কণ্ঠ দেন। অনুরাধা তার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী পরিবেশনার জন্য তার প্রথম শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন
অমিত কুমার নিয়ে বিস্তারিতঃ
অমিত কুমার একজন ভারতীয় বাঙালি গায়ক । তিনি বিখ্যাত শিল্পী কিশোর কুমারের ছেলে । জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫২ সালের ৩ জুলাই। তিনি বহু হিন্দী সিনেমার জন্য প্লেব্যাক করেছেন এবং বাংলা গানের অ্যালবামও বের করেছেন ।
এ গুণী শিল্পী ১৯৫২ সালের ৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। অমিত কুমার একাধারে একজন গায়ক, অভিনেতা এবং সংগীত পরিচালক। বাবার মতই ছেলেবেলা হতেই অমিত গানকে খুব ভালোবাসতো। অল্প বয়স হতেই অমিত কলকাতার দুর্গা পূজার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাইতো। একবার বিখ্যাত বাঙালি অভিনেতা উত্তম কুমারের দ্বারা আয়োজিত এরকম একটি দুর্গা পূজার অনুষ্ঠানে যখন অমিত কুমার গান গাইছিলেন, তখন উপস্থিত শ্রোতারা আরও গানের জন্য অমিত কুমারকে অনুরোধ করছিলেন।
এ সংবাদটি যখন তার মা রুমা গুহ ঠাকুরতার নিকট পৌঁছায়, তখন তিনি কিশোর কুমারের নিকট অভিযোগ করেন যে তাদের সন্তান অমিত কুমার ফিল্মের গান পরিবেশন করছেন। এ কথা জানার পর কিশোর কুমার অমিত কুমারকে বোম্বে নিয়ে যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেন।
এর পূর্বেই কিশোর কুমার দুটি চলচ্চিত্রে অমিত কুমারকে তার ছেলের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কাস্ট করেন। ছবি দুটি ছিল ‘দূর গগন কী ছাঁও মেঁ’এবং ‘দূর কা রাহি’। অমিত কুমার ১৯৭০ সাল হতে অনেক বলিউড চলচ্চিত্র এবং আঞ্চলিক চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসাবে গান গেয়েছেন। বিশেষকরে ১৯৭০ সাল হতে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত, যে পর্যন্ত আরেক শিল্পী আর ডি বর্মন বেঁচে ছিলেন।