মুন্সি ওয়াদুদ হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী গীতিকার। তিনি ২০০৭ সালের সাঝঘর চলচ্চিত্রে গীত রচনার জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ গীতিকার পুরস্কার লাভ করেন। চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য গান লিখে যাচ্ছেন। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে ভারতীয় শিল্পীদের জন্যও গান লিখেছেন। গান লিখেই পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
Table of Contents
মুন্সি ওয়াদুদ । বাংলাদেশী গীতিকার
প্রাথমিক জীবন
ছোটবেলা থেকেই, যখন কেবল প্রাইমারি ছেড়ে পা রেখেছিলেন হাই স্কুলে, কবিতা লেখার অভ্যাসের পাশাপাশি গান শোনার প্রতি দুবর্লতা তৈরি হয় তার। নানা ভাষার গান শুনে চেষ্টা করতেন সেগুলোর অর্থ বোঝার। একসময় এটাই পরিণত হয় তাঁর প্রতিদিনের রুটিনে। অষ্টম শ্রেণীতে উঠেই কিশোর মুনশী ওয়াদুদ লিখতে শুরু করেন প্রকৃতি, প্রেম ও জীবনের অনুভূতি নিয়ে।
আজকের খ্যাতিমান গীতিকার হয়ে ওঠার পেছনের দিনগুলোর কথা মনে করেন তিনি এভাবে, ‘গান লেখার আগে ব্যাকরণ নিয়ে চর্চা করাটা জরুরি। আমি গানের ছন্দ, অন্ত্যমিল ও কাব্যের ব্যাপারে খুব যত্নশীল ছিলাম।’ সত্তরের দশকের গোড়ার দিকে যাদের লেখা গান প্রশংসিত হয়েছে মুনশী ওয়াদুদ তাঁদের অন্যতম।
কর্মজীবন
চলচ্চিত্রের ব্যস্ত দিনগুলোতে গান লিখতে গিয়ে সময়জ্ঞান ভুলে যেতেন এই গীতিকার। লিখেছেন ‘পরিণীতা’, ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’, ‘মনের মতো ভাবী’, ‘সাজঘর’, ‘সুলতান’, সবার উপরে তুমি’, ‘চাচ্চু’ এবং ‘এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে’সহ অনেক ছবির গান। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস, বাংলাদেশ টেলিভিশন পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা।

দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভারতের শিল্পীদের জন্যও গান লিখেছেন মুন্শী ওয়াদুদ। এদের মধ্যে রয়েছেন হৈমন্তী শুক্লা, সাধনা সরগম. কবিতা কৃষ্ণমূর্তি, অনুরাধা পাড়োয়াল, বাবুল সুপ্রিয় অভিজিৎ ও শান প্রমুখ।
নির্বাচিত চলচ্চিত্রসমূহ
লেখক হিসেবে
৭১ এর মা জননি – ২০১৪
গীতিকার হিসেবে
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড – ১৯৯৭
- কোটি টাকার কাবিন – ২০০৬
- ঘানি – ২০০৬
- সাঝঘর – ২০০৭
- রাজা সূর্য খা – ২০১২
- একি বৃত্তে – ২০১৩
- ৭১ এর মা জননি – ২০১৪
