রাগ গুঞ্জিকানাড়া উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে আশাবরী ঠাটের অন্তর্গত একটি অপ্রচলিত রাগ। মালগুঞ্জি ও দরবারী কানাড়ার মিশ্রণে এই রাগটি সৃষ্টি হয়েছে। এই রাগে দুই গান্ধার ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ধৈবত ও নিষাদ কোমল , বাকি সব স্বর শুদ্ধ। রাগ গম্ভীর প্রকৃতির। ভিন্ন মতে বাদী – ম, সমবাদী – সা।
রাগ গুঞ্জিকানাড়া বা রাগ গুঞ্জি কানাড়া
রাগ গুঞ্জি কানাড়ার কারিগরি বিস্তারিত:
আরোহণ: ণ্ স র গ, ম প দ ণ র্স।
অবরোহণ : র্স ণ প ম প, জ্ঞ ম র স।
ঠাট : আশাবরী ।
জাতি : সম্পূর্ণ-ষাড়ব (আরোহণে ধ বর্জিত) ।
বাদীস্বর : গ
সমবাদী স্বর : ণ
অঙ্গ : পূবাঙ্গ।
সময় : রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর ।
পকড় : ণ্ স র গ, ম প ম, প জ্ঞ, ম র স।
তথ্যসূত্র:
উচ্চাঙ্গ ক্রিয়াত্মক সঙ্গীত। শক্তিপদ ভট্টাচার্য। নাথ ব্রাদার্স। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর একজন বাংলাদেশি শিক্ষক, উদ্যোক্তা, সঙ্গীতানুরাগী ও সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষক। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত, বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা করেন। সঙ্গীতের ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও জ্ঞানকে বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। সঙ্গীতের প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহ এবং সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছে।














