প্লাবন কোরেশী একজন বাংলাদেশী সুরকার, গীতিকার এবং সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মায়া: দ্য লস্ট মাদার চলচ্চিত্রের “বাড়ির ঐ পূর্বধারে” গানের সুরায়োজনের জন্য শ্রেষ্ঠ সুরকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
কর্মজীবন
তার লেখা ও সুরে জনপ্রিয় হয়েছে অসংখ্য গান। আবার অন্যের লেখায়ও সুরের ঝংকার তুলতে সমান পারদর্শী প্লাবন কোরেশী।কোরেশী গীতিকার ও সুরকার হিসেবে ১৯৯০- দশক এর মাঝামাঝি সময় থেকে কাজ করছেন। তার গীতে ও সুরে উল্লেখযোগ্য অ্যালবাম হল মনির খানের অঞ্জনা, রবি চৌধুরীর রঙের বন্ধু, ফজলুর রহমান বাবুর ইন্দুবালা, দিলরুবা খানের তোমার আমার, রিংকুর বিবাগী, এবং ধ্রুব গুহের একক গান “একলা পাখি” ও “যে পাখি ঘর বোঝেনা”।
২০১৭ সালে “ইশকুলে যাব না” গানের মধ্য দিয়ে তিনি প্রথমবারের মত সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আবির্ভূত হন। গানটির গীতিকার এবং সুরকার তিনি নিজেই। গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন মুহিদুল মুন। গানটি প্রকাশ করেছে সাউন্ডটেক।
২০১৯ সালের শেষভাগে তিনি ফকির হযরত শাহের গীতে “ভালোবাসার নাম নেবো নাম মুখে” গানের সুরারোপ করেন এবং এতে কণ্ঠ দেন। এটি তার সুরারোপিত অন্য কোন গীতিকারের লেখা প্রথম গান। মডার্ন ফোক ধারার গানটির সঙ্গীতায়োজন করেন রিয়েল আশিক। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেন সাইফুল ইসলাম। গান ও ভিডিওটি আবর্তন মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। এছাড়াও তিনি আসিফ আকবের ‘বুলবুলি’ ইমন খানের ‘রূপা আমার ভালোবাসা’ ও বেলাল খানের নতুন একটি গানে সুর করেছেন।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক সাব্বির নাসির এবং কলকাতার ‘সারেগামাপা’ খ্যাত গায়িকা শম্পা বিশ্বাসকে গত এপ্রিলে এক সুতোয় বাঁধেন প্লাবন কোরেশী। দুই বাংলার এই দুজন শিল্পীকে নিয়ে তিনি তৈরি করেন ‘বিনোদিনী রাই’। মিষ্টি প্রেমের এ গানটির কথা লিখেছেন এবং সুর করেছেন প্লাবন কোরেশী নিজেই।
অ্যালবামের তালিকা
- কষ্টে আছে আইজুদ্দিন
- সাপলুডু
- পাষানী
পুরস্কার
২০২০: শ্রেষ্ঠ সুরকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার – “বাড়ির ঐ পূর্বধারে” (চলচ্চিত্র – মায়া: দ্য লস্ট মাদার)
বাংলা সঙ্গীতের কালজয়ী ব্যক্তিত্ব, গানের পেছনের না-বলা গল্প ও প্রাতিষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে আকর্ষণীয় আখ্যানে উপস্থাপন করতে কাজ করছে ‘ফিচার ডেস্ক’। এখানে স্থান পায় প্রখ্যাত শিল্পী ও সুরকারদের জীবনভিত্তিক বিবরণী, সৃষ্টিশীল কাজের নেপথ্য ইতিহাস এবং সুরের বিবর্তনের তথ্যভিত্তিক রূপলেখ। গভীর পর্যবেক্ষণ ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণের সমন্বয়ে সঙ্গীতকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে আবিষ্কার করাই আমাদের লক্ষ্য।















