রাগ জলধর কেদার উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে বিলাবল ঠাটের রাগ বিশেষ। এই রাগে দুর্গা ও ছায়ানট রাগের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। তবে এতে কেদার রাগের রূপটি বজায় থাকে। এই রাগে মরধ্স দুর্গার রূপ প্রকাশ পায়, সধ্প্, রগমপ ব্যবহার করলে ছায়ানট-এর ভাব আসে। আর সর সম -প্রয়োগে কেদারের ভাব আসে।
রাগ জলধর কেদার
আরোহণ: স র স ম, মপ, পধ র্স
অবরোহণ : র্স ধপম, পমরস
ঠাট : বিলাবল
জাতি : ঔড়ব-ঔড়ব (গান্ধার ও নিষাদ বর্জিত)।
বাদীস্বর : মধ্যম
সমবাদী স্বর : ষড়্জ
অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ।

সময় : রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর।
পকড় : মপ, ধপম, রস, ম।
তথ্যসূত্র:
উচ্চাঙ্গ ক্রিয়াত্মক সঙ্গীত। শক্তিপদ ভট্টাচার্য। ১৫ এপ্রিল ১৯৮৩।

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর একজন বাংলাদেশি শিক্ষক, উদ্যোক্তা, সঙ্গীতানুরাগী ও সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষক। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত, বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা করেন। সঙ্গীতের ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও জ্ঞানকে বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। সঙ্গীতের প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহ এবং সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছে।















