তুমি আর নেই সে তুমি [Tumi ar nei se tumi]

“তুমি আর নেই সে তুমি” গানটি গেয়েছেন বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক , সুরকার , গায়ক ও লোকসঙ্গীত শিল্পী শচীন দেববর্মণ । এবং গানটি লিখেছেন রবি গুহ মজুমদার ।

তুমি আর নেই সে তুমি [Tumi ar nei se tumi]

গীতিকারঃ রবি গুহ মজুমদার 

প্রথম রেকর্ডের কন্ঠশিল্পীঃ শচীন দেববর্মণ

তুমি আর নেই সে তুমি [Tumi ar nei se tumi]

তুমি আর তুমি আর
তুমি-আর নেই সে তুমি
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
জানি না
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
তুমি-আর নেই সে তুমি
তুমি আর তুমি আর
তুমি-আর নেই সে তুমি
তোমার চোখেরও পাতা নাচে না
নাচে না আমারো পথ চেয়ে
তোমার পায়ে পায়ে মল বাজে না
বাজে না আমারো সাড়া পেয়ে(২)
হাসো না হাসো না সে হাসি মধুময়
তুমি-আর নেই সে তুমি
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
জানি না
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
তুমি আর নেই সে তুমি
তুমি আর তুমি আর
তুমি আর নেই সে তুমি
তোমার সাপেরও বেণী দোলেনা
দোলে না হাওয়ার বাঁশী শুনে
তোমার চোখে বিজলী খেলে না
খেলে না মেঘেরো গর্জনে(২)
গুনগুন গুনগুন করো না অসময়
গুনগুন
গুনগুন গুনগুন করো না অসময়
তুমি-আর নেই সে তুমি
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
জানি না
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
তুমি-আর নেই সে তুমি
তুমি আর তুমি আর
তুমি-আর নেই সে তুমি

শচীন দেববর্মণঃ

তুমি আর নেই সে তুমি এর কন্ঠশিল্পী শচীন দেববর্মণ ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক , সুরকার , গায়ক ও লোকসঙ্গীত শিল্পী ।  প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক ।

 

YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 তুমি আর নেই সে তুমি [Tumi ar nei se tumi]
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

তার জন্ম কুমিল্লায়৷ তবে আদিবাস বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে৷ তিনি ছিলেন ত্রিপুরার চন্দ্রবংশীয় মানিক্য রাজপরিবারের সন্তান। তিনি তার বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মণের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা শুরু করেন । বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মণ ছিলেন একজন সেতারবাদক এবং ধ্রূপদী সঙ্গীতশিল্পী। তিনিই ছিলেন শচীন দেববর্মণের প্রথম শিক্ষক। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে হতে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে তিনি সঙ্গীতাচার্য কৃষ্ণচন্দ্র দের কাছে সঙ্গীতচর্চা করেন। এরপর তার সঙ্গীত শিক্ষা চলে উস্তাদ বাদল খান এবং বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে। ধ্রূপদী সঙ্গীতের এই শিক্ষা তার মধ্যে সঙ্গীতের মৌলিক জ্ঞান সঞ্চারে গভীর ভূমিকা পালন করে। এই শিক্ষা তার পরবর্তী জীবনের সুর-সাধনায় প্রভাব বিস্তার করেছিল।

তিনি ফেব্রুয়ারী ১০, ১৯৩৮ সালে মীরা দেববর্মণ কে বিয়ে করেন ।

এই কিংবদন্তী শিল্পী অক্টোবর ৩১, ১৯৭৫ সালে ৬৯বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ।  

 

 

Leave a Comment