রাগ দেবগান্ধার উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে কাফি ঠাটের অন্তর্গত রাগ বিশেষ। এর আরোহণে শুদ্ধ গান্ধার এবং অবরোহণে কোমল গান্ধার ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজনে দুই নিষাদও ব্যবহার করা যেতে পারে।
রাগ দেবগান্ধার
আরোহণ ধ্ স গ ম প ণ র্স
অবরোহণ : র্স ণ প, মগ, মজ্ঞ স।
ঠাট: কাফি
জাতি : ঔড়ব- ঔড়ব (ঋষভ ও ধৈবত বর্জিত)।
বাদীস্বর : গান্ধার
সমবাদী স্বর : নিষাদ
অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ প্রধান।
সময় : রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর।
পকড় : ণপ, মগ মপ, জ্ঞ স
ভিন্নমত: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গান, ‘খেলে নন্দের আঙিঁনায় আনন্দ দুলাল’ দেবাগান্ধার রাগে নিবদ্ধ। গানটির স্বরলিপি করেছিলেন জগৎ ঘটক। এই স্বরলিপিটি ভারতবর্ষ পত্রিকার বৈশাখ ১৩৪৫ (এপ্রিল-মে ১৯৩৮) সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
[স্বরলিপি নমুনা]
এই স্বরলিপির পাদটীকায় স্বরলিপিকার এই রাগকে বিলাবল ঠাটের ঔড়ব-খাড়ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাগটিকে তিনি দক্ষিণ ভারতে প্রচলন আছে বলে উল্লেখ করেছেন। এই রাগের আরোহী ও অবরোহী ছাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেন নি।
আরোহণ স র ম প ধ র্স
অবরোহণ : র্স ধ, প, ম, গ, ম, র, স, ধ্, স।
তথ্যসূত্র:
উচ্চাঙ্গ ক্রিয়াত্মক সঙ্গীত। শক্তিপদ ভট্টাচার্য। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর একজন বাংলাদেশি শিক্ষক, উদ্যোক্তা, সঙ্গীতানুরাগী ও সঙ্গীতের পৃষ্ঠপোষক। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত, বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা করেন। সঙ্গীতের ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও জ্ঞানকে বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। সঙ্গীতের প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহ এবং সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছে।















