সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ই জুন ২০২২, ৭:২৫ পিএম
সারা নিশি জ্বলে কত
দীপ নিভে যায়
নিজেরে পোড়ায়ে ধূপ
গন্ধ বিলায়
সারা নিশি জ্বলে কত
দীপ নিভে যায়
নিজেরে পোড়ায়ে ধূপ
গন্ধ বিলায়
দীপের কথা, ধূপের ব্যথা
দীপের কথা, ধূপের ব্যথা
স্মরণ করো কোনো অবসরে
এই পৃথিবীর ‘পরে
কত ফুল ফোটে আর ঝরে
সে কথা কি কোনোদিন
কখনও কারও মনে পড়ে?
এই পৃথিবীর ‘পরে
কত ফুল ফোটে আর ঝরে
সে কথা কি কোনোদিন
কখনও কারও মনে পড়ে?
কখনও কারও মনে পড়ে?
কখনও কারও মনে পড়ে?
শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।
সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে অবুঝ মন চলচ্চিত্রের “শুধু গান গেয়ে পরিচয়” গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৭৬ সালে প্রদত্ত ১ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি সুজন সখী চলচ্চিত্রের “সব সখীরে পাড় করিতে” গানের জন্য শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং এরপর গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), সুন্দরী (১৯৭৯) ও কসাই (১৯৮০) চলচ্চিত্রের জন্য টানা আরও তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
মন্তব্য