
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ এবং এক তরুণীকে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল পুনরায় জামিন পেয়েছেন। রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকার বিনিময়ে তার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের এ সিদ্ধান্তে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, এখন তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
মামলার নথি ও অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আনাননিয়া শবনম রোজ নামের এক তরুণী ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট রাজধানীর আদালতে নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্তদের তালিকায় নোবেলের মা, স্ত্রী, এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ব্যক্তিগত সহকারীও রয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, নোবেল ভুক্তভোগীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন। পরবর্তীতে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হলে ভুক্তভোগীকে একটি স্থানে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে ২ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরদিন আদালতে হাজির করলে শর্তসাপেক্ষে তাকে প্রথম দফায় জামিন দেওয়া হয়।
তবে জামিনে মুক্তির পরও ভুক্তভোগীর ওপর পুনরায় নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বাদীপক্ষ আদালতে আপসের শর্ত ভঙ্গের আবেদন জানায়। আদালত বিষয়টি বিবেচনা করে ২ এপ্রিল তার পূর্বের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর সর্বশেষ শুনানিতে আদালত আবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেন।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত ছবি ধারণের চেষ্টা এবং মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।
মামলার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ নিচে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো—
| তারিখ | ঘটনা |
|---|---|
| ১৩ আগস্ট | মামলা দায়ের |
| ৭ জানুয়ারি | তদন্ত প্রতিবেদন জমা |
| ২ ফেব্রুয়ারি | গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি |
| ২৩ ফেব্রুয়ারি | নোবেল গ্রেপ্তার |
| ২৪ ফেব্রুয়ারি | প্রথম দফায় জামিন |
| ২ এপ্রিল | জামিন বাতিল |
| ৫ এপ্রিল | পুনরায় জামিন মঞ্জুর |
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলাটি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ, জবানবন্দি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত রায় নির্ধারিত হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আসামিদের দায়-দায়িত্ব স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
> সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাধা, শিল্পীদের বাড়ছে উদ্বেগ
> সেপ্টেম্বরে ফিলিপাইনে জমজমাট কে-পপ কনসার্ট ও ইভেন্টের মেলা
> আবৃত্তির কণ্ঠে মানবতার বার্তা, জন্মদিনে আহকাম উল্লাহ
> হাসানকে বোতল ছোড়ার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকায় বিশেষ কনসার্ট
> আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে এসআই টুটুলের নতুন ব্যান্ড ‘এবি কিং’
> ফেসবুক ছাড়লেন আসিফ আকবর, জানালেন সিদ্ধান্তের কারণ
> মাশার কণ্ঠে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে বাংলাদেশের গল্প
> না থেকেও যিনি আছেন: পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা
> শ্রাবন ধারায় এতো চেনা কি খুঁজে পাও [ Srabon Dharay Lyrics ] – এনকোর ব্যান্ড [ Encore Band ]
> যাবি যেদিন শশান ঘাটে – পরীক্ষিৎ বালা | Jabi Jedin Sosan Ghate – Parikshit Bala
> ঝরে যাওয়া পাতার লিরিক্স | Jhore jaowa patari moton lyrics | Jisan Khan Shuvo
> রিপন ভিডিও কবিতা লিরিক্স-রিপন মিয়া-[ Ripon Video Kobita Lyrics-Ripon Mia ]
> ও তুই যাসনা লিরিক্স [ O tui jashne beshi dur lyrics ] | Hafiz Nir
> এক পেয়ার কা নাগমা হ্যায় লিরিক্স – লতা মঙ্গেশকর-[Ek pyar ka nagma hai lyrics-Lata Mangeshkar]
> লাগ যা গালে লিরিক্স | lag jaa gale | ওহ কৌন থি ১৯৬৪ | রাজা মেহেদী আলী খান | লতা মঙ্গেশকর
> কুল নাই দরিয়ার পারে লিরিক্স | Kul Nai Doriyar Pare lyrics | Jalal Uddin Khan | Sunil Karmakar
> দয়া করে এসো দয়াল লিরিক্স [ Doya Kore Esho doyal lyrics ] । আরিফ দেওয়ান । Arif Dewan
> ফেসবুক গজল লিরিক্স [ Facebook Gojol Lyrics ] । সৈয়দ আহমেদ । Sayed Ahmad । কলরব
সম্পাদক ও প্রকাশক: সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর
যোগাযোগের ঠিকানাঃ পশ্চিম কাফরুল, বেগম রোকেয়া সরণি, ঢাকা
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য