রাগ আহির ভৈরব । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত
রাগ আহির ভৈরব উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে ভৈরব ঠাটের অন্তর্গত রাগ বিশেষ। ঋষভ ও নিষাদ কোমল। এর প্রকৃতি গম্ভীর। প্রথাগতভাবে উত্তরভারতীয় রাগসঙ্গীতের দশ ঠাটের ভিতর ফেলা যাব না। এর প্রকৃতি ভৈরবের মতো বলে, একে ভৈরব ঠাটের রাগ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। ভৈরবের মত এই রাগে মঋ বা গ, মঋ স্বরসঙ্গতি হয়ে থাকে। রাগ আহির ভৈরব […]
রাগ গোবরধন টোড়ি । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ গোবরধন টোড়ি উত্তর-ভারতীয় রাগ-সঙ্গীতের টোড়ি ঠাটের একটি রাগ। এটি একটি গম্ভীর প্রকৃতির রাগ। রাগ গোবরধন টোড়ি আরোহণ: স জ্ঞ ঋ জ্ঞ, প, দ র্স অবরোহণ : র্স, নদ, নহ্মজ্ঞ, ঋজ্ঞ, রস ঠাট : টোড়ি জাতি : ঔড়ব-ষাড়ব। বাদীস্বর : দ সমবাদী স্বর : জ্ঞ অঙ্গ : উত্তরাঙ্গ। সময় : দিবা ভাগ। পকড় […]
রাগ গোপিকা বসন্ত । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিশাল সমুদ্রে এমন কিছু রাগ আছে, যা সচরাচর সব আসরে শোনা যায় না। এরা লুকিয়ে থাকা রত্নের মতো, যা কেবল জহুরিরাই চিনে নেন। এমনই এক অত্যন্ত দুর্লভ ও অপ্রচলিত রাগ হলো ‘রাগ গোপিকা বসন্ত’। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের উত্তর ভারতীয় (হিন্দুস্থানি) এবং দক্ষিণ ভারতীয় (কর্ণাটকী)—উভয় সঙ্গীত ধারাতেই এই মিষ্টি রাগটির উল্লেখ পাওয়া যায়। […]
রাগ গুর্জরী টোড়ি । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ গুর্জরী টোড়ি বা গুর্জরি তোড়ি উত্তর ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রে বর্ণিত টোড়ি ঠাট থেকে উৎপন্ন রাগ বিশেষ। এই রাগের সাথে বাহাদুরী টোড়ির কিছুটা মিল আছে। বাহাদুরী টোড়ির মন্দ্র ও মধ্যস্থানে বিস্তার হয়। কিন্তু এই রাগের বিস্তার তিন সপ্তকেই হয়। এর প্রকৃতি গম্ভীর। কথিত আছে গোয়ালিয়রের রাজা মনতোমরের রানি মৃগনয়নী এই রাগের সৃষ্টি করেছিলেন। রাগ গুর্জরী টোড়ি […]
রাগ বৃন্দাবনী সারং । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিশাল আঙিনায় কিছু রাগ আছে, যা কানে আসামাত্রই মনটা এক নিমেষে চনমনে হয়ে ওঠে; ঠিক যেন কাঠফাটা রোদের মাঝে হঠাৎ ছুটে আসা এক পশলা ঠান্ডা হাওয়া। এমনই এক অদ্ভুত প্রাণবন্ত ও চমত্কার রাগ হলো ‘রাগ বৃন্দাবনী সারং’। উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে এটি ‘কাফি’ ঠাটের অন্তর্গত একটি প্রধান রাগ। এই রাগের নামকরণের মাঝেই জড়িয়ে […]
রাগ গুণকলি । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ গুণকলি বা গুণকেলী, গুণকৃ, গুণকিরি, গুণগিরি, গুণক্রিয়া, গৌণ্ডক – উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে ভৈরব ঠাটের অন্তর্গত রাগ বিশেষ। এই রাগে গান্ধার ও নিষাদ বর্জিত। এর ম ঋ এর ভিতরে সৃষ্ট মীড় ভৈরব অঙ্গকে প্রকাশ করে। এই রাগে কোমল নিষাদকে ধৈবতের সাথে বিবাদী স্বর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর প্রকৃতি গম্ভীর। রাগ গুণকলি বিলাবল ঠাটে […]
রাগ বিলাসখানি টোড়ি । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ বিলাসখানি টোড়ি উত্তর ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রে বর্ণিত রাগ বিশেষ। কথিত আছে মিঞা তানসেনের পুত্র হিসেবে বিলাস খাঁ এই রাগটি সৃষ্টি করেছিলেন। অল্প বয়সে সুফিসাধনায় মজে ঘর ছেড়ে ছিলেন তিনি। সেদিন তার গাওয়া সেই রাগ তার নিজস্ব রচনা। নাম ‘বিলাসখানি টোড়ি’। রাগ বিলাসখানি টোড়ি এটি ভৈরবী ঠাট থেকে উৎপন্ন ঔড়ব-সম্পূর্ণ জাতীয় রাগ। যদিও এই […]
রাগ মালীগৌরা । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের দরবারে মারবা ঠাটের অন্তর্গত ‘রাগ মালীগৌরা’ (বা মালিগৌরা) এক অত্যন্ত চমৎকার, গম্ভীর এবং জটিল প্রকৃতির রাগ। এই রাগটির সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো এর ভেতরে দুটি শক্তিশালী রাগ—‘পুরিয়া’ এবং ‘শ্রী’-এর এক অপূর্ব ও সুনিপুণ মেলবন্ধন লক্ষ্য করা যায়। রাগ মালীগৌরা: পুরিয়া আর শ্রী রাগের মিশ্রণে এক অনিন্দ্য সুন্দর সুরের রূপরেখা উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের জগতে […]
রাগ গুঞ্জিকানাড়া বা রাগ গুঞ্জি কানাড়া । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

রাগ গুঞ্জিকানাড়া উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে আশাবরী ঠাটের অন্তর্গত একটি অপ্রচলিত রাগ। মালগুঞ্জি ও দরবারী কানাড়ার মিশ্রণে এই রাগটি সৃষ্টি হয়েছে। এই রাগে দুই গান্ধার ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ধৈবত ও নিষাদ কোমল , বাকি সব স্বর শুদ্ধ। রাগ গম্ভীর প্রকৃতির। ভিন্ন মতে বাদী – ম, সমবাদী – সা। রাগ গুঞ্জিকানাড়া বা রাগ গুঞ্জি কানাড়া রাগ […]
রাগ শুদ্ধ বিলাবল । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

উষালগ্নের স্নিগ্ধতা আর ভোরের প্রথম আলোর মতো যদি কোনো রাগের চরিত্র হয়ে থাকে, তবে তা হলো ‘রাগ শুদ্ধ বিলাবল’। উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে এটি কেবল একটি রাগই নয়, বরং এটি হলো ‘বিলাবল ঠাট’-এর জনক বা আশ্রয়দাতা রাগ। একে স্থানভেদে রাগ বিলাওল, বেলাওল বা বেলাবলী নামেও ডাকা হয়। ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, বিখ্যাত গ্রন্থ […]






